Friday, 13 November 2020

ভেজা কাপড়ে ব্লেডের যৌনতা

১)

গ্রামের বাড়িতে, পুকুরে, মাছের খেলা দেখে মনে হলো, কবিতা লেখার চাইতে খেলা দেখা বেদনার ।মাছেরা খেলে রাস, যুদ্ধ করতে দেখিনি।দুটি স্তন পাশাপাশি শুয়ে কাটায় বহুকাল যুদ্ধ ছাড়া।হাত পাতে না, শরৎকাল বোঝে কিনা জানিনা। যে শরৎকাল বোঝেনা সে কি বাউল বোঝে? জানিনা ব্রেসিয়ারের চাইতে পুরোনো ডাকটিকিটের মূল্য কতটা রুপসী।


৩১.০৪.১৪২৭


আমার যৌনতায় স্বৈরচারী রঙের মেলা। শহরের যৌনতায় যৌবন নেই, শ্বাস নেয়া যায় না। মঞ্চ নেই, তবুও নাটকের একটা ঢং আছে। এখানে ওখানে পরটার খোসা, ব্যাগে পঁচে যাচ্ছে কলার বাচ্চা। খাটের নিচে ঢুকে বসে থাকে মহাবিশ্ব।

এতো সুন্দর কারাগারে ঢুকে গেলে যৌবনে ছিন্নমূল হওয়ার ব্যাপারটা এড়িয়ে যায়। অথচো কেউ একটু খরচ করলে বহুপত্নীক হয়ে সংস্কৃত রোডটা বারিধারা বসুন্ধরায় ঢোকানো যায়।

১৩.০৬.১৪২৭


৩)
Let them go to hell- তোমার পেটে সব জল নিয়ে আছো
বারুদ খেয়ে হয়ে যাচ্ছো গর্ভবতী, তোমার সন্তানের পিতারা সব লম্পট জবা ফুল ।

তুমি খাদ্যভাণ্ডার। উদার অর্থনীতির যুগে আজকাল কেউ কবিতা পড়েনা, কাব্যগ্রন্থও বের হয়না।

যতটা দাম কণ্ডমের ততটা ধর্মের যৌগতা
তবুও জল মানুষ , তবুও বিকৃত যৌনটগর।

যুদ্ধের স্বপক্ষে বিবৃতি দেবে ছাগলের মেদ ও মানুষের শরীরের নেগেটিভ জরায়ু।
যুদ্ধও পথ,
অস্বীকার করার জো নেই।
টেলিভিশন অন করো।

তোমাকেই,
হ্যাঁ তুমি একমাত্র, ভূমিকা ছাড়া ভেতরে প্রবেশ করতে পারো।


২২.০৪.১৪২৬




৪)
*
তোমার জন্য যে অপেক্ষা করে তাকে নরকের ঠিকানা বলে দাও
নরকেই একমাত্র ওমের ফুল আছে
আর যুবতী সালোকসংশ্লেষণ।

২২.০৪.১৪২৫

*
কোলকাতার চাঁদ অন্তঃসত্ত্বা হলে আমি ট্রেন থেকে ঝাপিয়ে পড়ি,

মেয়ে শরীরের গন্ধ নিয়ে ট্রেনগুলো থমকে দাড়ায় টক গন্ধে।

২৮.০৪.১৪২৬


*
তোমার আর আমার সঙ্গমে কোলকাতা শহর লিখে যাচ্ছে একটি সেলাই করা জুতোর কথা, সারা শহরে পা দিয়ে তোমার গন্ধ খেয়ে নিচ্ছি।

*
নাকফুলে উঠে আছে কোলকাতা শহর। তোমার নাকফুলে যে শহর সে অন্তঃসত্ত্বা

*
জোৎস্না খাওয়া শিখলে মানুষ বমি করা শিখে না

২৮.০৪.১৪২৬

*
মেট্রোতে উঠেই চোখে পড়লো মেয়েটির ঠোঁটে আঙুল বুলিয়ে দিচ্ছে পায়রাটি
আর ছাদ বাগানের কাজটি করে যাচ্ছে নদীয়ার সেলিম

মৃত্যুতে শোক করো না, বইয়ের কভারে নদী বন্দরের একটা আবেদন থাকে। শোক ব্যাপারটা ঐ বনগাঁ লোকাল... যাত্রী বাড়তে বাড়তে কমতে থাকা

রু নামের নদীটাই ফুঁসে উঠে,আর ঋতুস্রাবের ব্যথায় এ.সি নষ্ট হলে সীমান্তে ৫০০ টাকা দিয়েই তবে যশোর রোডের বুকে পা রাখে বৈষ্ণবী!

মেট্রোরেলের দীঘল কালো চুল, তার বুকে অসংখ্য খুরের আঘাত আর ঠোঁটে আঙুল দিলে শুনতে পাচ্ছে নারীটির গোপন নাভি।

কত গুলো আঙুল ঠেলে দিচ্ছে কতকটা স্বপ্ন,নাভীতে মৌলিক মানচিত্র আর পথটা চলে গেছে ফুড়ে ফুড়ে মুর্শিদাবাদ!

৩১.০৪.১৪২৬



*
তোমার পা চেটেচেটে সন্ধ্যাটা স্তনে মাখে কিছু আয়না,

ঘুমের ওসুধ খেয়ে ওড়নাটা ঝর্নায় নামে
হারিয়ে যাওয়ার বাহানায় ঘুমের ওসুধগুলো হয়ে যাচ্ছে ভাষাপাখি।

০২.০৫.১৪২৬



*
এই যে তুমি গাছ তবুও প্রেমে পড়েছি,তোমার বুকে স্নান করি, স্নান মূলতো একটি ফাঁদ,

এই যে তুমি বেশ্যা তবুও প্রেমে পড়েছি, তোমার চোখ তো রুমাল
রুমাল মূলতো পাশের বাড়ির রাজনীতি

এই যে তুমি মন্দিরের ঘন্টা, বেজে চলো লাল রঙের পুজোতে, তোমার জন্য আমি অপেক্ষা করি
তাই বলতে পারিনা পালিয়ে যাবো।

তোমার হাসিতে যৌনতা, ব্রেসিয়ারে জাহাজের ঘাট!কুকুর হয়ে তোমার জন্য কাঁদি।

০৪.০৫.১৪২৬



*
তুমি গলায় দড়ি দিলে রাষ্ট্রের কাছে এ্যানকাউন্টার ভিক্ষে করি

তোমার পিরিয়ড হলে ফসল উৎপাদন শুরু হয়, রক্তে রঞ্জিত হয়ে যায় জহির রায়হান।

আমি শিখেছি জহির রায়হান হলো গ্রাম,
পূর্বের,
ধরো ১৩০০ সালের - ঐ যেবার তোমার শরীরে কাটাতার লেগেছিলো।

দক্ষিনেশ্বরের গঙ্গা দিয়েই ডান হাতে চলে এলো জ্বর
আর পুলিশ এসে হাওড়া ব্রীজটাকে নিয়ে গেলো। তোমার শরীরে জ্বর, আমার শরীর থেকে খসে পড়ে অনশন ও মিছিল।সুপ্রীম কোর্টের কাছে যে যাবো সে সময়ও নেই।

০৪.০৫.১৪২৬

*
সীমান্তে আসার পর উপলব্ধি হলো যুদ্ধ ও নারী জড়িয়ে আছে গণিতে

গণিত ও সমুদ্র নিয়ে বিশ্ব শ্রেনীবিভাগে পড়ে গেছে অর্থনীতির সিলেবাস যার নাম "গড"

আমি অঙ্কে পোক্ত নই,
ক্লাসে পড়িনি, গড- নারী - গণিত পরস্পর উপুর হয়ে থাকা শ্রমিক।

০৪.০৫.১৪২৬


*
তিনটা চারটা কবিতা লিখলে জ্বর হয়।ভীষন জ্বর উঠে আর আমি কাক হয়ে যাই

আমার জ্বর হিন্দু জ্বর নয়
আমার জ্বর মুসলিম জ্বর নয়
আমার জ্বর ইহুদি জ্বর নয়

সিলিং ফ্যানে ঘুরছে জলপ্রপাত ও পাখিদের গয়না
শিলং, লাদাখ আর মাথার উপর জলপট্টি।

কাশ্মীরে মুসলমান আছে,কোলকাতায় হিন্দু আছে, পার্বত্য চট্টগ্রামে আদিবাসী আছে-এই যে চিৎকার,তাছাড়াও পৃথিবীর কোণায় বহু মানুষ আছে
তাদেরও জ্বর হয়,জলপট্টি সেখানেও দিতে হয়।

পৃথিবীর সব কবিই ন্যাংটো হয়,গল্পকার, মেথর
বুদ্ধও। তিনটা চারটা কবিতা লিখলে জ্বর হয়।আমার জ্বরের নাম ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।

০৪.০৫.১৪২৬


*
তুমি গলায় দড়ি দিলে রাষ্ট্রের কাছে এনকাউন্টার ভিক্ষে করি

তোমার পিরিয়ড হলে ফসল উৎপাদন শুরু হয়, রক্তে রঞ্জিত হয়ে যায় জহির রায়হান।

আমি শিখেছি জহির রায়হান হলো গ্রাম,
পূর্বের,
ধরো ১৩০০ সালের - ঐ যেবার তোমার শরীরে কাটাতার লেগেছিলো।

দক্ষিনেশ্বরের গঙ্গা দিয়েই ডান হাতে চলে এলো জ্বর
আর পুলিশ এসে হাওড়া ব্রীজটাকে নিয়ে গেলো। তোমার শরীরে জ্বর, আমার শরীর থেকে খসে পড়ে অনশন ও মিছিল।সুপ্রীম কোর্টের কাছে যে যাবো সে সময়ও নেই।

০৪.০৫.১৪২৬

*
তোমাকে গুছিয়ে রাখতে গিয়ে তোমার জ্বর চলে এলো, এবারো প্রেমের কথা বলা হলো না,

অন্তত বর্ষা-জ্বরে আক্রান্ত হওয়ার আগে ভিসা হয়ে গেছে বলে হাঁপানি হচ্ছে অহরহ নগরের রাস্তায় রাস্তায়

তোমার জ্বর এলো, আমি জঙ্গল তছনছ করে দিচ্ছি কাঁদতে কাঁদতে
অক্সিজেন নেমে যাচ্ছে নিচু হয়ে তোমার বুকে
বুকের নাম দিলাম 'নাস্তিক'।

তোমাকে ভাবতে গিয়ে তোমার যৌনতা ভাবি
তোমার যৌনতা দিয়ে সেঁকে দিচ্ছি দেশের জলাভাব, প্রশাসনের হেনস্তা,রুখে দিচ্ছি একটি অন্ধ রাষ্ট্রের এনকাউন্টার।

০৪.০৫.১৪২৬


*
তোমার সাথে যৌনমিলন করতে লেগে গেলো ৯০০০ বছর

মিলনকালে স্বরবৃত্ত নিয়ে কথা হলো
তারও সামনে হাসপাতাল
নার্স
এ্যাপ্রোন

মিলনের পর গরম ভাতের পরেই আসলো প্রাইমারি স্কুলের গমন পথ।

৯০০০ বছর পর আমার বাড়ির সব কিছু হয়ে গেছে শত্রু সম্পত্তি
তোমার টিপও।

০৫.০৫.১৪২৬

*
অনুভব করে ভেঙে যাচ্ছে পাহাড়, ভাতের মাড় চিৎকার করছে।

তোমার ব্রেসিয়ার জুড়ে নাৎসি বাহিনীর আনাগোনা

ভাত নেই শহরে।

০৫.০৫.১৪২৬

*
জ্বলছে তোমার অন্তর্বাস,সারি সারি শরনার্থীদের ঘর
ঝুলে পড়া স্তনে থাকতো কতগুলো পাখি।

স্তন পুড়ে গেলে বোটা থেকে নেমে আসে নোটিশ
উচ্ছেদের জ্বরফুল।

চিৎকার করতে করতে বেরিয়ে যাচ্ছে সিন্থেটিক খাদ
তোমার চোয়াল বেয়ে মানুষ হত্যা করার পুঁথি

তোমার অন্তর্বাস, যেখানে কান্না আছে মানুষ হত্যার পর যে সাবান দিয়ে গোসল করানো হয়।

০৫.০৫.১৪২৬


*
তোমাকে সেঁকে দিচ্ছে যে তাপ তা থেকে জন্ম নেয় আপেল বাগান। যখন সঙ্গম করো তখনই ঘোড়ারা ঘুমায়, তখনই ইভ।

০৪.০৫.১৪২৬

*
এক সময় তো আসে তোমাকে দেখতে ইচ্ছে করবে না,
লিখতে ইচ্ছে করবে না
পাউরুটির মতো অজস্র চুম্বক জেগে উঠবে।

দেশ রপ্তানি এক উল্লেখযোগ্য রুটিকারখানার পান্ডুলিপি, পথের পাঁচালি এক চক বোর্ড।যেই উচ্চারন করি শ্যামাসঙ্গীত উদাসীন জুতো একলা কাঁদে।

সব ভুল প্রমান করে যুবতীর চোখ মুখ নিয়ে ব্যগ্র জল্লাদ পেন্সিল খুঁজতে বসেছে। মেধাবী শেয়ালরা চর্চা করছে আঙুরের শরবত।আমি পৃথিবীর মুখে একটু সিঁদুর মেখে দেই।

০৬.০৫.১৪২৬

*
১নং সকাল হয়ে গেছে।খুশীতে ডগমগ করে উড়ে যাচ্ছে মাংশাসী দুপুর

ভাত খাওয়া হলো না, অাই হ্যাভ লস্ট মাই সুইসাইড।

আয়না হাসেনা জ্বরফুল
আয়নার ভেতরে মানুষ ঢুকে গেলে হরিণ হত্যার সংবাদে নিজেকে ভালোবাসতে শুরু করে।

লোলে আটকে থাকে পোষা লোভের গরম দুধ।হরমন সমৃদ্ধ রাজধানীতে সম্মেলন বসতে যাচ্ছে।

০৬.০৫.১৪২৬


*
তোমার নাকফুলে গীর্জার ঘন্টা কেন?
কেন ঝুলছে ত্রিশূল?

পাতালপুরীতে কেন ময়ূর ভ্রু বেয়ে কাঁদে?

০৫.০৫.১৪২৫

*
তোমার কোমর রুপা দিয়ে বাঁধাই করা,মাকড়সা থাকে।
জোৎস্নাতে মৃত্যুর দেবতা গাভী হয়ে উঠে

*
ধানের গন্ধে কৃষকের ঘরে কচি দুধের পোনা, বিরাজ করছে একলা জবা,
তোমার কোলে সাতার কাটে এ্যাম্বুলেন্স।

*
এ্যাম্বুলেন্স এক পাখি, আমারো এ্যাম্বুলেন্সের মতো পাখি হতে ইচ্ছে করে।

০৮.০৫.১৪২৬


*
পুড়ে যাচ্ছে সকল আঠারো বছরী শাড়ির ভিটামিন ডি,
এ্যাম্বুলেন্স এক পাখি। আমার এ্যাম্বুলেন্সের মতো পাখি হতে ইচ্ছে করে।

০৭.০৫.১৪২৬

৫)
মন্ত্রী দেখলে আপনার খুব অটোগ্রাফ নিতে ইচ্ছে করে , আসলে আপনি জানেন না সমুদ্রের পানির উচ্চতা দিন দিন তিতাস লোকালে ঢুকে পড়ছে।

সঙ্কুচিত হয়ে আসছে বিছানা , ময়ুর গুলো মরে যায় বুকের কাছে ।ফ্রকের ভেতর দিয়ে গজিয়ে উঠা ভালোবাসার ত্রি-বৃত্ত নিয়ে মশগুল।

সকলেই স্বার্থপর শান্ত সাপ! তার চেয়ে লুডু খেলা শিখুন। সেলফি নিন।

এয়ার টিকিট কাটুন, ঝামেলায় যাবেন না। বিশ্বজিৎ তো জোৎস্না নয়!

নির্দোষ খেলা আপনার দ্বারা তেমন টা হবে না। নদীরও গর্ভাশয় আছে, শুকায় , যৌবন আসে, বৃদ্ধ হলে বাসার পুরনো হারমোনিয়ামের মত উলঙ্গ হয়। প্রতিটা জন্ম শুভ , তাই উলঙ্গতার কথা শুনলে আপনার মনেই থাকে না প্রতিটা জন্ম মহৎ ফুলের ন্যায় তাই জরায়ু দেখতে গেলে আপনি মাতৃগর্ভের বানান ভুল করেন। আমি জরায়ু বলতে বুঝি স্রষ্টার বুকে অভিশপ্ত সূর্য গ্রহন।

লাশের উপর গোলাপ জল ছিটিয়ে দিন, গন্ধ ছড়াবে! জলটায় আসল। আপনারা কি জীবন্ত হেলেনের গ্রীস ? বলা মাত্র যুদ্ধে নেমে পড়েন ? লাশ তবুও ভালো ভ্রমনে আসলে মানুষ অল্প কথা বলে কিন্তু দেখুন তো মাটির তলার বিশ্বাসী পিঁপড়ে হয়ে আপনি খেয়ে ফেলতে চান বুভুক্ষু গোরস্থান ! ঈশ্বর শব্দটি একটি পুরনো ইতিহাস আর বেলা শেষে হকার চিৎকার করে বলে ,
“আজো ধর্ষিত হয়েছে কিশোরী” তাজা খবর; তাজা খবর। হায় আহত আঙ্গুল, মানুষ কেন বনসাই পোষে !
অবশেষে বোঝা গেলো আপনারা ফুল ভালবাসেন না। প্রতিটি জন্মই ঋণের বিপরীতে চতুর্দশপদি ফুলের সনেট ।

২০.০৪.১৪২৪


৬)
(যে মানুষটির কাছে সমুদ্রের পাঠ শিখি, সেই প্রিয় কবি অর্ক অপুকে)

জন্মের প্রতি তোমার বিশেষ দুর্বলতা আছে। ফুল কাটলে বের হতে থাকে মাসিকের রক্ত !

আসলে শবাসনের বাহিরে তুমি জরায়ু মুক্ত।

পৃথিবী দেখতে কাটতে হয়েছে কারো দুইটি রুমের চারটি দিয়াশলাই ।



প্রতিটা রুমে একটা করে ছায়াবীর থাকে, প্রতি রাতে পিকনিক উৎসব শেষ করে সটান করে পৃথিবী শুয়ে পড়ে। প্রতিটি শুয়ে পড়া জিনিসে দেখি মানুষের মতো বিদ্যুৎ গাছ। তুমি বৃক্ষ হয়ে উঠলে জন্ম নেয় অসংখ্য মানুষ।

মদের মতো নির্ভয় হয়ে দাড়িয়ে থাকো, সংসার টা পুতুলের মতো মাটিতে গড়া কিন্তু মদের মত একলা বিষণ্ণ । কোলে তুলে নিয়ে নির্ভয়ে দাড়িয়ে থাকে তোমার প্রছন্ন আয়না। দেখো বুকের ভেতর টানটান করে পাঁচালী পাঠ করে কাঁচের সূর্য। মানুষ তো স্নান করে তন্দ্রায়। সমান্তরাল হেঁটে গেলে যত দূর চোখ যায় দেখি সুঠাম যুবতীর মতো হাত বাড়িয়ে ডাকছে সহিষ্ণু ভূমি। আমি শুয়ে পড়ি , আতর লাগানো রাজবন্দীর বুক থেকে বের করি যত বলাৎকারের গল্প।


নারী আমার কাছে প্রতিশ্রুতির অভিযান , পার্কের বারান্দায় , নিরাশ্রয়ী ফুতপাতের অশত্থ বৃক্ষের মতো আশ্রয়। বক্র ঠোঁটে আমি নেমে যাই মহামতি জিবরাঈলের সাক্ষাৎকারে । অযথা ঝুটি মেলে ধরে , চুল গুলো নেমে আসে ট্রেনের মতো। আসলে প্রতিটি জননানন্দে ঈশ্বরের সূর্য গলে পড়ে ডুবে যায় দুপুর, সন্ধ্যা, সকালের উপাখ্যান , তুলে আনি জরায়ুপুরাণ থেকে অমৃত ও বিষের সন্ন্যাস, একটি রাজ বৃক্ষ , আর উপাসনা।

নারী মাত্রই অন্ধকারের একক গান , মোমবাতি ও জ্যোৎস্নার জলাশয় ।


২২.০৩.১৪২৫


৭)
একবিংশ শতাব্দীতে প্রেমের জন্য রাষ্ট্রকে ভ্যাট পরিশোধ করেছেন তো?

আজই ভ্যাট পরিশোধ করুন
ভ্যাটের রশিদ আপনার প্রেমের দলিল

বুকে হাত দেবেন?
ভ্যাট পরিশোধ করুন

শোবেন?
ভ্যাট পরিশোধ করুন

স্তন মর্দন করবেন?
ভ্যাট পরিশোধ করুন

শুধু মনে রাখুন আপনি প্রশ্ন করতে পারবেন না
শুধু মনে রাখুন আপনি অধিকার চাইতে পারবেন না
বিপ্লব নিয়ে তর্ক তো নয়ই!

শহরের সব দেয়ালগুলো মেয়ে
শহরের সব পাখিগুলো ছেলে
শহরের সব স্লোগানগুলো ব্যথা
গভীর ভালোবেসে যে দেয়ালে পাখি বসে, স্লোগান ছাপা হয় তাদের ভয় পায় মহামান্য নেকড়ে!

নেকড়ে স্ক্রল করে
আনন্দ বোধ করে
আরো নিচে নামে
আরো
আরো
আরো
তারপর একদিন সে লাগাতে চায় যাতে হরিণ না বোঝেন, যাতে আপনি পাহাড় না বোঝেন,যাতে আপনি “কমরেড” শব্দটির সাথে পরিচিত না হন!

একবিংশ শতাব্দীতে আপনার আত্মহত্যা আপনার কবিতা হয়ে উঠে
একবিংশ শতাব্দীতে প্রত্যেকেই কবিজীবন যাপন করে
একবিংশ শতাব্দীতে সহজেই গর্ভবতী হয়ে যাচ্ছে দেয়াল পাখি ও স্লোগান!

২০.০৩.১৪১৬

৮ ) 
আয়ত যুবতীর ঘরে প্রবেশ করে দেখি রোদমুখো বেলুনের ঘুম, কিশোর অবহেলা ও গোপন কথা জেনে গেছি এই লোভে ফুচকার মসলার মতো বীর্য প্রসব করছি। কোথাও উড়ে যাচ্ছে ফেরী ঘাটের পঞ্চাল, সংযমের মাংস থিকথিক করে। বিছানা পেতে দিলে উপোস ভাঙি।

শরীরে বরফ মাখা লাচ্ছির মতো গলে পড়ছে প্যারাসুট, কালোবিড়ালও ডাকছে সোনাগাছি,দু হাতে নৈবদ্যের বেলুন ঢুকে যাচ্ছে সোনাগাছির সন্ন্যাস। তোমার পায়ে তবুও আলতার আর্তনাদ।

পেপারওয়েটের মতো শুয়ে থাকো,
লজ্জায়,
ভয়ে।
প্রেমিকরা তবুও ডাকিনী বিদ্যার জীবাশ্ম জানে। অসংখ্য মৌমাছিগুলো ভয়কে পার করে প্রেমিকাই ছিলো।

০৮.০৫.১৪২৫

৯) 
তোমার কোমরে স্বদেশ, বন্দর ছেড়ে গেছে পাখি আর কমরেডদের সভা,

ঘোষনা দিয়ে তোমার বুকে পুতে দেয়া হলো ছত্রিশ রকমের প্রজাপতি। প্রজাপতিরা পাশাপাশি বসে আলোচনা করছে হৃদয়ে কেন হিংস্র কুমিরের বাস?

মানুষ কেন গাছ লাগায় না
কেন বর্ষা আসে দেরীতে?
কেন জোয়ার ভাটা চলে গেলে মরুভূমি জাগে?

সমুদ্রকে অবহেলা করতে নেই
তোমার জানালার কাকও বোঝে স্প্যানিশ ভাষা

তোমার আমার দাম্পত্যে তোমার ব্যথা বুঝে আমি একটি একটি গাছ লাগাই

আত্মহত্যার আগে চুমু খেতে দেবে না? আমি জানিনা তোমার বুকের সেল্ফ জুড়ে কোন কোন সমাধিক্ষেত্র

তুমি মা হলে
তোমার সন্তান বোবা হলো
আমি আত্মহত্যা করে আমার কথা রেখেছি

পৃথিবীর শেষ সত্য জানার আগে তোমার গর্ভেই তোমার প্রেমিক হয়ে জন্মাবে কোনো এক প্রজাপতি কমরেডস।

১০.০৩.১৪২৬

১০) 
রাস্তায় মেনে চলিনি উপাসনা

তবুও ভয় উবে যায় যখন মনে হয় ইচ্ছে মৃত্যুর বর নিয়ে ভীষ্ম আসে কুমিল্লা ফেনী পার হয়ে!

আজকাল কত মেলামেশা তবুও অর্ধরাতের পর দরজা খোলা রেখে ঘুমোয় না কোনো প্রত্যাখ্যাত প্রেমিক!
মানুষ ভায়োলেন্স ভালোবাসে না তবুও কত রক্ত ও বমির বেগ!

হৃদয় ভেঙে দেয়ার চাইতে বড়সড় ভায়োলেন্স আর হয়?ডিম ফুটে বাচ্চা বের করতেও ভায়োলেন্স লাগে!

সূর্য উত্তরে উঠে না
তুমি বুঝি রাত জেগে কাঁদো?
সিগারেট খাও?
অন্তর্বাসে লেগে থাকে শ্বাস?
শেষবার কবে বলেছিলে ‘শালা তোকে যে ভালোবাসি, বুঝিস না?’

কোমর ঠোঁট হয়ে উঠলে আমার আর উপাসনা মানতে ইচ্ছে করে না হাবীবা।
সত্যি বলছি, তুমি কাঁদলে কবি হতে ইচ্ছে করে না
ইচ্ছে করে তোমার শারিরীক ও মানসিক বিদ্যার শিক্ষক হই।

১০.০৩.১৪২৬

১১) 
*
দুঃখী জামার জোৎস্না দেখছি। চেটে নিচ্ছি তোমার বুক, মুকুট পরে বেঁচে থাকো।
শ্মশানে জলবায়ু মাখছে চড়ুই!

গিটারে জলপ্রপাত,
ঠোঁটে পাঠ করি চাঁদ।
তবুও হিংসা লোভ নিয়ে বেঁচে থাকে বাসি রুটির শ্রোতা।

১০.০৫.১৪২৫

*
প্রসঙ্গত বর্ষা
উচ্ছিষ্ট কাটার মতো কেন পরে থাকে কুষ্ঠফুল?
বিড়ালে খেয়ে নেয় ভালোবাসা
আক্রান্ত জঙ্গলে তাড়াতাড়ি সন্ধ্যা নামে।

যুবক হয়ে উঠছে সুস্বাদু মালবিকা বন,যতটা বাঁচা যায় শেষ রাতে, ততটাই সুখী,
ততটাই শোক, যতক্ষণ না পেটিকোট পরে নেমে আসে মৌতাত মদ।

রোগীকে পাশে বসতে দাও কামে
খেলো
খেয়ে নাও ঋণের কথা ভেবে,
যে বুঝেছে সুখী না হওয়াও এক গ্লানি।

১০.০৫.১৪২৫
দ্যা চেঞ্জিং রুম- সিন এন্ড আনসিন

১২) 
সকাল বেলা কবরস্থানের গা ঘেঁষে আমি বাসের জন্য অপেক্ষা করি
অপেক্ষা জিনিসটাই এমন খালি লাফায়, খালি লাফায়

আমার রুপসী গর্ভবতী প্রেমিকা বাড়ি টাঙ্গাইল
তার গায়ে স্বপ্ন এঁকে দেয়ার পদ্ধতি জানার পর অপেক্ষা করি স্কুল ফেরত হারমোনিয়ামের।

আমার মেয়ে অমরাবতী
রতিচক্র,বিবাহপ্রথা, রাজনীতিবিদের হাই জানেনা
তাকে একদিন বললাম মানুষের চিৎকার একা একা ঘুরে খবর দেয় বৈষ্ণবশ্রমনের। নিয়তি খেলে পদার্থ বিজ্ঞানের নির্জনতা।

গালভর্তি জোৎস্না খেয়ে খেয়ে প্রেমিকার বুকে ডায়রী গজাচ্ছে

সে ডায়রীতে সূর্য উঠবে,
আধখোলা পিঠে সূর্যউঠলে স্বাধীনতার সংবিধান লিপস্টিক দিয়ে লিখবো?

১৫.০৩.১৪২৬

১৩)
কেউ জড়িয়ে থাকুক এমন নয়, ক্লান্ত মাথা নোয়ানো আকাশ!

প্রথমোতো গাছটি ধাড়ি বুড়ো,
দ্বিতীয়ত গাছটি বিবাহিত
বয়স বাড়ছে বড্ড!

আমি হুড়মুড় করে ভেঙে পড়ি
মাঝ রাতে টেলিগ্রাফ আসলেই আত্মহত্যা করবো।
কান্নার সময় শেষের কবিতা পড়তে হয়।

১৩.০৫.১৪২৬


১৪) 
তিনটে কুকুর ঘিরে ধরেছে আমায়
তাদের একজন বললো ;আজ তাদের জন্মদিন

আমি যদি ফ্যাসিবাদী হই তবে যেন পড়ে শোনাই "জন্ম"

জন্ম এক চতুর্দশী ত্রিশুল
আমি তাদের সুরা ফাতেহা পড়ে শোনানোর প্রস্তাব করি।

১৩.০৫.১৪২৬

১৫)

হরিণটাকে জামিন দেয়া হয়নি,

এবারের বর্ষায় তোমার নাভিতে আফিমের গন্ধ নাচছে,অথচো তোমার স্বামীর মৃত্যুর পর তোমার ঘরে নেতা উপনেতায় ভরে গিয়েছিল, তারা কেউ কেউ বলেছিলো তোমার বাগান তাদের পছন্দ!

তুমি যখন সাইনবোর্ড টাঙিয়ে দিলে ‘বিনা অনুমতিতে প্রবেশ নিষেধ’ তোমার বুক জুড়ে যে নার্সিংহোম ছিলো তা ভাঙার আদেশ দিয়েছে শহরের মেয়র।

আমার ইচ্ছে ছিলো তোমার চুড়িতে ২১ টা চুমু খাই
আমি বি এ পাস করিনি, তোমাকে ভালোবেসে তোমার ব্লাউজে লাগানো যাবেনা শেক্সপিয়ার বায়রন সেটা তো কোথাও উল্লেখ নেই।

স্লিভলেস রোদ মেখে আমি তোমার দিকে আসছি
হরিণটাকে জামিন দেয়া হয়নি
দরজা খোলো, বুকের
দরজা খোলো বাগানের।

১৩.০৩.১৪২৬

১৬) 
*তোমার বয়স বাইশ, বিবাগী হওয়ার সময়
তোমার গন্ধ যেই নাকে এসে বিঁধে আমার শাদা পাপে লিপ্ত হতে ইচ্ছে করে।

পাপের রঙ সাদা এটা জেনে নিতে তোমার শাড়ির বাগান বাড়িতে যাই,

দেখি সদ্য জন্মানো শিশু ক্লাস নিচ্ছে
সেই ব্ল্যাক বোর্ডে লেখা

'ময়ূরের মতো কামার্ত হও কারন তোমাকে একা থাকতে হবে'।

১২.০৫.১৪২৫

*
পেছনে দ্যাখো পৃথিবী
সামনে তোমাকে বুকের সাথে চেপে ধরে গন্ধ বিলাই।
ক্লান্ত উরুতেও ঘুমোবো আমি সুষুম্না পুরুষ।

১২.০৫.১৪২৫

*
জানো তো প্রতিটা দুপুরে কত কৃষ্ণচূড়া জন্মে বুকে
তুমিতো দেখেছো রক্ত রক্ত লাল
আমার ছাল ছাড়িয়ে নিয়ে তুমি কাঁদছো মহাসুখে
তুমি দেখেছো ভবিতব্য দেখোনি ছাই মাখা কাল

তোমার পছন্দসই অসহ্য আলোতে আমি দেখি অন্ধকার
অন্ধকারের নুপুরে করি তো মাঝে মাঝে প্রণাম
একি সমুদ্র উড়ে বুকে একি জন্ম আবার
বুক জুড়ে কোলাহলের মরুভূমি তার বুকেও থাকে হাম।

১২.০৫.১৪২৫


*
রাত এক সাহিত্য, অর্থনীতির। রাত এক সাহিত্য ;যৌন নীতির,রাত এক সাহিত্য জন্মফুলের।

১৫.০৫.১৪২৬
অনির্বাণ সূর্যকান্ত

চিত্রঋণঃ- zhao kailin 







No comments:

Post a Comment

Featured post