১)
মাদি ফুলের মাংস রান্না হচ্ছে। মানুষ একা, নতুন কথা নয়।বোতলে ভরে রেখেছি সমস্ত চোখের চরিত্রহীন মেইল ঠিকানা। মাংসের গন্ধে কয়েন কেঁদে উঠে।
২০.০৪.১৪২৭
২)
জানালা দিয়ে রোদ আসে, আসে যৌন আনন্দ।খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে চুন লাগিয়ে দিই।
রমনীর পেটিকোট, মেইল বরাবর দুধ মাখা ভাত।
এক দস্তখত বরাবর লাল কাকড়ার জীবন নিয়ে কৃষক ঢুকে গেছে মৎসনারীর মঙ্গল জোব্বায়।
২০.০৪.১৪২৭
৩)
বন্ধুর স্ত্রীরা, উচ্চতায় আমার চেয়ে বড়
আমার প্রতি তাদের ঘৃনা আছে
তাদের নিয়ে লিখিনি
তাদের কোমড়ে জিন, ভাত খেতে দিলে ধন্যবাদ দিই না
অনুগত ক্রীড়া চাইনি
ট্রেনে ব্লাউজ শুকাতে দিলে নৌকা হয়ে যায়
তারো নিচে পরিবার পরিকল্পনা
দেখতে ভালোই যেমনটা বহু শিক্ষক ছাত্রীদের বুকের দিকে তাকিয়ে ভাবেন
সুপ্রভাত নিষিদ্ধ
ঠোঁট সেকে সেকে উচ্চারন করি ফ্রকভরা দুপুর
বন্ধুর স্ত্রীরা, আমি বুঝে যাই
আমার সারাঘর ভর্তি খিলখিল করে হাসছে বুকে রাখা ছাইদানি।
২০.০৪.১৪২৬
আমার প্রতি তাদের ঘৃনা আছে
তাদের নিয়ে লিখিনি
তাদের কোমড়ে জিন, ভাত খেতে দিলে ধন্যবাদ দিই না
অনুগত ক্রীড়া চাইনি
ট্রেনে ব্লাউজ শুকাতে দিলে নৌকা হয়ে যায়
তারো নিচে পরিবার পরিকল্পনা
দেখতে ভালোই যেমনটা বহু শিক্ষক ছাত্রীদের বুকের দিকে তাকিয়ে ভাবেন
সুপ্রভাত নিষিদ্ধ
ঠোঁট সেকে সেকে উচ্চারন করি ফ্রকভরা দুপুর
বন্ধুর স্ত্রীরা, আমি বুঝে যাই
আমার সারাঘর ভর্তি খিলখিল করে হাসছে বুকে রাখা ছাইদানি।
২০.০৪.১৪২৬
৪)
ঢেকে রেখোনা স্তন যেখানে বনস্পতি।পাপ নেই, আছে গণিত ও খাবার, প্রেমিকও হা করে
স্তন ছুলেই প্রেমিক নয়, এমনটা জেনেও জানাযায় যায়নি লক্ষ লক্ষ যৌনপাখি।তারা জানেনা জাহাজ ও অন্ধ সাগরের কথা।
স্তন ছুলেই প্রেমিক নয়, এমনটা জেনেও জানাযায় যায়নি লক্ষ লক্ষ যৌনপাখি।তারা জানেনা জাহাজ ও অন্ধ সাগরের কথা।
হ্যাঁ জ্বর হয়, জ্বর হলে হাসাপাতালের কথা মনে হয়না ,মনে হয় কৈকেয়ী ও দশরথের সন্তান ডুয়ার্সের জঙ্গল ।অক্সিজেন কমে আসছে, স্কুল ছুটি হলেই তোমার বাড়ি সোয়া আঠারো হাতের নাভি
বাতি নিভে গেলে নদী এক নকশা পাতাল ট্রেনের বুক ব্যথা।
২০.০৪.১৪২৬
বাতি নিভে গেলে নদী এক নকশা পাতাল ট্রেনের বুক ব্যথা।
২০.০৪.১৪২৬
ছবি ঋণঃ Luke Hillestad.

একটা একটা লাইন যখন আলাদাভাবে পড়ি তখন বুঝি। কিন্তু দুটো লাইন একসাথে জুড়লে আর আগামাথা কিছুই বুঝি না। আপনার কবিতার সাথে ব্যখ্যা সংযুক্তি আমার মত স্থুল বুদ্ধির পাঠকের জন্য অত্যাবশকীয় হয়ে উঠছে ক্রমশই।
ReplyDelete