Tuesday, 20 October 2020

পুরুষের শ্রেণিহিংসা

*

শ্রমিকের বাসি পোশাকে পুড়ে যাচ্ছি ফল হয়ে শুয়ে আছি। রোদ উঠে।কাপড় খুড়িয়ে হাঁটে গণিকাজল


*

চায়ের জল কত শান্ত সমুদ্রপাখি।বাবা বলতো অঙ্ক শেখোনা, অভাবে ভুগবে।

*
ঘন যৌনতায় লোডশেডিং শুরু হয়। জাতীয়তাবাদী বিদ্যুৎ নারীর শরীর বেয়ে আমাকে হত্যা করে।

*
বাতাসে ফুসফুস বন্ধক দিয়েছি। বাতাস বলে শরীরে দুপুর হয় ক্যামনে?

*

সকালে যে প্রজাপতি আমার বন্ধু বিকালে সেটা বুকে ছুরি মেরে মরে গেলো। এতে করে মাটির ব্যাংকে কয়েন জমানো হলো না। কয়েন পড়ে রইলো রক্ত পকেটে। রক্ত পকেটে রজঃস্বলা নারী শীতকাতুরে হয়।বুকে ছুরি বসালেতো বস্তি উচ্ছেদ থেমে থাকে না।বাবা ডেকোরেটর ব্যবসায়ী, লাইটের হিসাবে শেখায়। তে অভাবে ব্লাউজ খুলো। তে অনির্বাণ, অসামাজিক লিখলে এই শহরে অক্সিজেন সিলিন্ডার কমে আসে। হাসপাতালগুলো যথেষ্ট আধুনিকা নয়।

*

মানুষ ভাগ হতে চাচ্ছে। ফষ্টিনষ্টির গল্প সব অপরের!

কে কোথায় আছে, চিৎকার করে কেউ জানতে চায়না। একরকম চলে যাচ্ছে পরের জায়গায় পরের জমি। মাঝদুপুরে রাজহাঁসের গ্রীবা ছায়া খুঁজে।

০৯.০৭.১৪২৬


ছবিঋণঃ-Ugo de Cesare - Naples,Italy




No comments:

Post a Comment

Featured post