Thursday, 20 August 2020

ম তে যশোরেশ্বরী - দ্যা রানী মৌমাছি

তোমার চোখে মুখে পাঠ করছি ঈশ্বর।পালিয়ে যাওয়ার জায়গা নেই।মৌমাছিরা ঢুকে পড়ছে ক্লাসে।হুল ফোঁটাচ্ছে, শহরে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মানুষের প্রভাতী প্রতারণার কৌশল।গল্প বানানোয় যার যত দক্ষতা সে তত ঈশ্বর।


২৩.০৪.১৪২৭

কে যে নিঃস্ব তা পরিকল্পনা করে বলা যায় না।দিনশেষে ছিচকে চোরও আসল বাবা হয়ে উঠার কৌশল শিখে নেয়। মায়েরা গ্রহন করে ভার ছায়া যোগাবার। ছায়া দেবার।

জল নড়ে, পাতা ডেকে উঠলে।
যার যত খিদে সে তত বোকা ;
সবার চাই কাঙ্খিত রঙ,রঙিন ক্ষতে ছন্দের মতো।

রঙের ব্যবহার শিখেছি মার চোখের ধার থেকে।

২৩.০৪.১৪২৭


আজকে তোমার কাছে লেখা চিঠিটা কাঁদছিলো।আমাকে বারবার জানাচ্ছিলো আবৃত্তি করোনা রঙিন পোস্টার।স্বাদ নাও সেমাই বানাবার জীবনের।পাহাড়কে পুজো করো।

আর আমি তাকে শুনিয়েছিলাম কারো অবহেলা পড়তে কচি পাতার গন্ধ বুঝতে হয়।আমি গাছকে জড়িয়ে আয়ু বৃদ্ধির পুরাণ পড়েছি ফলে লোকে বলে আমি বাঁধন ছিড়তে জানিনা।পাতার মতো ঝরে পরলে কি অবহেলা প্রকাশ পায়? তোমার কপালে শুকনো ঘাস দিয়ে আগুন ধরিয়ে দিচ্ছে সরল মোমের পিতারা।

২৩.০৪.১৪২৭


যে ফসল যেই চাষ করে তার আলাপে থাকে চমৎকার ফসলের যৌনতা।

ফসল কিভাবে পোয়াতি হয়,ক্যামনে তার সন্তানরা নিজেদের বুকের চামড়া তুলে।

কে শিশু কে আর বৃদ্ধ ফসলের। খোঁপা করার আগেই আটি হয়ে সন্তান থেকে আলাদা হয়ে যাওয়ার দুঃখ জিইয়েই সে ভুলে যায় ফুলশয্যায় ছিলো পিতা না প্রেমিকা?

৩১.০৪.১৪২৭


ছবি ঋণঃ- এক নীল সাদা জগতের বন্ধুর কাছে।

No comments:

Post a Comment

Featured post