১)
Workers of the world unite! They have nothing to lose but their Chains
তোমার হা করা মুখে ঢুকে বসে আছে অশান্ত রাখাইন,পার্বত্য চট্টগ্রাম।
শ্রমিক
মৌমাছির রচনা লিখতে দিয়েছিলো , লিখেছি , শহরে আজকাল মাইনাস পাওয়ারে অ
তে অজগর। কত কত মৌমাছির বাসা ভেঙে গুলসান বনানী?প্রমাণ করো তুমি তোমার
শ্রমের সমান বড়
তোমার সাবান জলে শহরের ধর্মঘট, কারখানাগুলোকে বগলে নিয়ে মঞ্চে উঠে গেছো। তোমার বগলে আর কী কী চাষ হয়?
বগলের ক্ষার পেইনকিলার হয়ে খেয়ে নিচ্ছে ভেড়াদের আবদার।
২২.০৪.১৪২৬
২)
হরিণ স্কুলে আসতে শুরু করেছে,পড়ছে ভ্যানগগ থেকে শেখমুজিব।
পথ চলে গেছে জাহাজঘাটায়, ভাগা করে যেখানে আগুন বিক্রি হয়, রাতের ট্রেন শুধু বসে যাওয়ার।
শিকারী,আলজিহবার কাছে শুয়ে থাকা সুন্দরীকে ডাকছে। সন্ধ্যা হলেই মা স্তন দিতে শুরু করে প্রেমিকের মুখে।
২২.০৪.১৪২৬
৩)
জিভ স্পর্শ করে যাচ্ছে বুক,শিহরন নয়, নয় কেঁপে উঠা,
ডিকোড করে করে জন্ম নিচ্ছি
তুমি কবিতা স্ত্রী
তাই জিভ
দপ করে লাল হয়ে উঠে।
২২.০৪.১৪২৬
৪)
আত্মহত্যা করলে মুখোশ সরে যাবে আমার। আত্মহত্যার দিকে ঝুঁকে আছি, জরায়ুতে আকাশ নিয়ে আছে, ডোরাকাটা আকাশ, বীভৎস আকাশ।
ঢাকার রাস্তাতে সব আইসক্রিম গলে যাচ্ছে। আত্মহত্যা পাওনাদার , তাঁর মতো সুন্দর পাওনাদার হয় না। হিংসা নেই। মানুষকে সে নিজের বলে দাবী করে।
০৫.০৫.১৪২৭
৫)
তোমার তরুণ নাকফুলে স্বপ্ন দেখছে যে রাখাল তার হাতেও সঁপে দেয়া যায় বাংলাদেশ,
তোমার তরুণ পঞ্চায়েতের দুপুরে যে মেয়েটি একা একা ধর্ষণ শেষে বাড়ি ফিরেও আত্মহত্যা থেকে বিরত হয় তার হাতেও সঁপে দেয়া যায় বাংলাদেশ
শুধু অনেক মায়েরা কাঁদে জামাটার গন্ধ শুঁকে
শুধু অনেক মায়েরা কাঁদে সেমিজের গন্ধ শুঁকে
শুঁকে শুঁকে কত প্রাণী জানান দেয় ভূকম্পন
শুঁকে শুঁকে কবরেজ মশাই ওসুধিও দেন
আমরা শুঁকে শুঁকে শুধু ভারত আর পাকিস্তান চিনি!
শুধু আমরা শুঁকে শুঁকে বুঝি না
কোনটা চেতনা
কোনটা মুক্তিযুদ্ধ
কোনটা ধর্ম
কোনটা আন্দোলন
কোনটা গুজব!
আজকাল আর শুঁকে শুঁকে শত্তুর মিত্তর তো চিনিইনা
শুধু ছিনতাই হয়ে যাই আমরাই।
২২.০৪.১৪২৫

No comments:
Post a Comment