Wednesday, 30 September 2020

নারী ও মারিজুয়ানা চাষী

 ১)

রাত বিরাতে বহু ভুল করি, পথ না থাকলে ভুল নেই,পথ খুঁজে বের করতেই যত ভুল।


এখন সবাই ঘুমুতে যাবে, পথ খুঁজবে
ভাগের পথ

এখানে থেমে গেছে বহুকাল আগে বিচ্ছিন্ন টেলিফোন লাইন, এখানে বৈরাগী ডাকে, সবাই বলে ভূমিকা লেখো, উঠান ভর্তি ফুল ও বাসনকোসনের শব্দ। মা, পেরেক পুতে দিচ্ছে, বাবাদের প্রতিদ্বন্দ্বী-তবুও লোকে বলবে বাড়ির খবর যেন বাহিরের মানুষ না জানে।

কে আর বাহিরে থাকে, সবাই ঘরে ছুটছে। তবুও বাহির থেকে আসে ; কেউ
অতিথি বলে গৃহস্থের অভিধানের ভেতর -মায়ের শাক রান্নার ইষ্টদেবতা।

০৭.০৫.১৪২৭


২)
নেশাখোর বেতন নিয়ে স্ত্রীলোক ছুটে যাচ্ছে পুরুষের কাছে, জীবন এক টাকার চিঠিতে ভোর হওয়ার আগে আক্রমন করে।

নেশাভর্তি রক্তে পুকুর জেগে উঠে, এ্যালুমিনিয়ামের লাঙ্গল চিরে দিচ্ছে সোনাভর্তি কিষাণীর বুক।

০৬.০৫.১৪২৭

৩)
আত্মহত্যা পাওনাদার,তার মতো সুন্দর পাওনাদার হয়না।হিংসা নেই।
মানুষকে সে নিজের বলে দাবী করে।

০৫.০৫.১৪২৭

৪)
সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখি আমার সব কবিতা হাঁস হয়ে বিছানা থেকে নেমে যাচ্ছে পুকুরে।

০৫.০৩.১৪২৭


৫)
*বেঁচে থাকা ব্লেডে করে প্রতিদিন একই খাবার, স্লোগান আর হাত নোংরা করি।



*
প্রেমিকাকে বুকে টেনে নিলে গণতন্ত্রের উপর চে গুয়েভারার সমাজতন্ত্র রক্তবমি করে।



*
পরকীয়া প্রেমিক আমি, তোমার স্তনে চাঁদের ক্যান্সারের হিসেব রাখি।

০৭.০৩.১৪২৬

৬)

তোমার কামিজে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে ফিরে গেলো চুপচাপ সঙ্গম,
তার গন্তব্য কক্সবাজার রাখাইন হয়ে চীনের জিরো পয়েন্ট

পৃথিবীর সব হাসপাতাল হয়ে যাক পাঠাগার
পৃথিবীর সব কারাগার হয়ে যাক ফুলবাগান
পৃথিবীর সব তুমি হয়ে যাক বৈষ্ণবী

এসব গন্ধে মানুষের খাদ্য নিয়ে তোমার ভাবনা দেখে সৃষ্টি হলো নতুন বেদ।

আমি তো চিৎকার করছি
কোমরে তুলে নাও আমাকে।তোমার কোমর হয়ে গেলে সেতু আমি উচ্চারণ করবো ক্ষুধার্ত ডায়ালসিস।

১৭.০৪.১৪২৬

Painter: Liu Yuanshou









No comments:

Post a Comment

Featured post