তোমরা আমার আঙুল কাটছো, ফুল ফোটার কি
বাকি আছে?
তোমরা আমার কান ছিড়ছো, শহরে কার্ফু কি
নেই?
তোমরা আমার ভ্রু তুলছো, চিত্রশিল্পী কি
আর একটাও পৃথিবীতে জন্ম নেয়নি?
তোমরা আমার নাক কেটে নিচ্ছো, পৃথিবীর
সমস্ত পথ কি নগ্ন হয়ে গেছে?
তোমরা আমার চোখ তুলে নিচ্ছো, আর্ট
গ্যালারিগুলো কি নিরুদ্দেশ
হয়ে গেছে?
তোমরা আমার মাথা মুন্ডন করে দিচ্ছো, নারীর বস্ত্র হরণ কি থেমে আছে?
তোমার আমার জিহবা কেটে নিচ্ছো, বৃক্ষের পাতা ঝড়া কি বন্ধ আছে?
তোমরা আমার কন্ঠনালী তুলে ফেললে, পাখিদের বাউলজন্ম কি বন্ধ আছে?
তোমরা আমার হৃদযন্ত্র তুলে নিলে, শরনার্থীর চিৎকার কি শুনতে পারছি না?
তোমরা আমার পা কাটছো, ডিম্বাণুরা কি
ঈভের মতো ঈষৎ ছন্দহীন নয়?
তোমরা আমার শিশ্ন কাটছো, রক্তে কি
বাউলপাখি নেই?
তোমরা আমার দাত তুলে নিচ্ছো, স্বাধীনতার
সংগ্রামকে কি ডিসচার্জ করা হবে?
তোমার চোখের জলকে সেনিটাইজার বানাচ্ছো, মুক্তির সংগ্রাম কি লিঙ্গজীবী হবে শুধু?
এভাবে দ্রোহকে স্টকলটে আটকে 'সেলারি
পেইড' টাঙিয়ে দিলেই মায়ের পেটে খালাসির কাজ কথার কথা হয়ে
যায়না। এতে কুমারী সিঙ্গেল জিহবা দাসত্ব করে না
তোমরা আমার কবিতা কেটে দিচ্ছো, আমি বুঝতে পারলাম, এসব বিপ্লব ও মুখোশের চাইতে আমি
অনেক দামী কিন্তু বৃক্ষের চাইতে কম। আমার কবিতা কেটে দিলেই পৃথিবীর পবিত্রকিতাবগুলো
হারিয়ে ফেলছে ভাত ও যৌনতা।
০১.০৬.১৪২৫।। চিত্রঋণ- সালভাদর দালি

অসাধারণ বড়দা❤
ReplyDeleteযা শুরু হয় তা থামার জন্য নয়
ReplyDeleteপ্রেম হোক বা যুদ্ধ
বিদ্রোহী আপনাকে ভালোবাসা