Sunday, 13 December 2020

কর্কট রাশির কুকুর

তোমার চোখে মুখে পাঠ করছি ঈশ্বর।পালিয়ে যাওয়ার জায়গা নেই।মৌমাছিরা ঢুকে পড়ছে ক্লাসে।হুল ফোঁটাচ্ছে, শহরে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মানুষের প্রভাতী প্রতারণার কৌশল।গল্প বানানোয় যার যত দক্ষতা সে তত ঈশ্বর।


২৩.০৪.১৪২৭

কে যে নিঃস্ব তা পরিকল্পনা করে বলা যায় না।দিনশেষে ছিচকে চোরও আসল বাবা হয়ে উঠার কৌশল শিখে নেয়। মায়েরা গ্রহন করে ভার ছায়া যোগাবার। ছায়া দেবার।

জল নড়ে, পাতা ডেকে উঠলে।
যার যত খিদে সে তত বোকা ;
সবার চাই কাঙ্খিত রঙ,রঙিন ক্ষতে ছন্দের মতো।

রঙের ব্যবহার শিখেছি মার চোখের ধার থেকে।

২৩.০৪.১৪২৭


আজকে তোমার কাছে লেখা চিঠিটা কাঁদছিলো।আমাকে বারবার জানাচ্ছিলো আবৃত্তি করোনা রঙিন পোস্টার।স্বাদ নাও সেমাই বানাবার জীবনের।পাহাড়কে পুজো করো।

আর আমি তাকে শুনিয়েছিলাম কারো অবহেলা পড়তে কচি পাতার গন্ধ বুঝতে হয়।আমি গাছকে জড়িয়ে আয়ু বৃদ্ধির পুরাণ পড়েছি ফলে লোকে বলে আমি বাঁধন ছিড়তে জানিনা।পাতার মতো ঝরে পরলে কি অবহেলা প্রকাশ পায়? তোমার কপালে শুকনো ঘাস দিয়ে আগুন ধরিয়ে দিচ্ছে সরল মোমের পিতারা।

২৩.০৪.১৪২৭


যে ফসল যেই চাষ করে তার আলাপে থাকে চমৎকার ফসলের যৌনতা।

ফসল কিভাবে পোয়াতি হয়,ক্যামনে তার সন্তানরা নিজেদের বুকের চামড়া তুলে।

কে শিশু কে আর বৃদ্ধ ফসলের। খোঁপা করার আগেই আটি হয়ে সন্তান থেকে আলাদা হয়ে যাওয়ার দুঃখ জিইয়েই সে ভুলে যায় ফুলশয্যায় ছিলো পিতা না প্রেমিকা?

৩১.০৪.১৪২৭


দ্যা রানী মৌমাছি

কলম দিয়ে নিজেকে আঁকতে পারছিনা, হেডফোনকে দাড় করিয়ে চট্টগ্রাম শহরের সংলাপ রেকর্ড করে নিচ্ছি, মানুষের শরীরে জোনাক জ্বলে এমন পোস্টমর্টেম রিপোর্ট একা প্রকাশ পায়নি।শোক জ্বলছে পা টিপে টিপে।অসৎ অন্ধকারে প্রধানমন্ত্রীর ময়ূর নিষিদ্ধ পল্লীর দিকে যাচ্ছে, খিস্তি দিলে কামার্ত ফলের দিকে তাকাই। আশ্চর্য পাখি মানুষ, আশ্চর্য হত্যায় শান্তি আন্দোলনের ঠান্ডা যৌনতার লাইটহাউজ।

০৮.০৭.১৪২৭

তোমার স্তনে পাখির ভাষা রাখালের সাথে পাড়া বেড়াতে গেছে, এই ফাঁকে চলে এলো বন্যা, মুখে কথা বন্ধ হলে চোখ খুলে যায়,এমন ট্রেন আমাদের এখানে বিশ্রাম গাচ্ছে। ভাষা জমালে ভাষা হোমিওপ্যাথি উৎসাহ হয়ে যাচ্ছে, বনের মোষ তাড়াতে রেষারেষি বিচ্ছিন্ন টেলিফোনের সংযোগ চাচ্ছে। বহুকাল ঘুমাওনি এসব জ্বরজ্বালা নিয়ে কুকুরজীবনে। বহুকাল মানুষের ঘুমের সংখ্যা ছিলো না।

০৯.০৫.১৪২৭
অনির্বাণ সূর্যকান্ত


ধীরে ধীরে দরজা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, চিৎকার যাচ্ছে উড়ে। গভীর রাতে রেষারেষি করো, পাখিরা জাগবেনা। শেষ ট্রেন ফষ্টিনষ্টির গল্প আনন্দ দেয়।

০৯.০৭.১৪২৭
অনির্বাণ সূর্যকান্ত


নারী রক্ত মিশে আছে ঘড়ি, হরেক রকম সাবানের গন্ধ।মা বাবা যে কোন পথ বুকের লোম থেকে বের হয়ে রোমান্টিক চা পাতার পাকা রঙ। সংসারের নাটকের মূল চরিত্রের কাজটা বাকিথাকে। বাকি চরিত্র আসে যায়।প্রেম চায়।

বালিকার শরীরের স্টেথোস্কোপ জানে নদী ক্লান্ত হলে মৃত্যুকে আহবান করে।

১৩.০৫.১৪২৭



ভাষা যে কত জায়গায় আঁটকে আছে, পা নেই, হাত নেই। সেওতো ভাষার হানি।


বাবা লালপিপড়া
বিষ নেই,
চুরমার হচ্ছে হৃদয়


পায়ে বাঁধা যৌথসিনেমার স্ক্রীপ্ট।পায়ে বাঁধা বাবার হাতের ডাস্টার হৃদয়।

২৭.০৪.১৪২৭

নারী চাঁদটির দেখা পাচ্ছি না,শরীরে ঘোমটা দিয়ে কৈ মাছগুলো অক্ষর হয়ে যাচ্ছে।

৩২.০৪.১৪২৭


কেউ নাই। দক্ষিণমেরুও। গোপন কথাগুলো জ্বর। রিমোট কন্ট্রোল নেই।নেই ঘোর, নেই রুটি। বর্ণমালা মুছে যাচ্ছে। পাশে বসে ঘষে দিচ্ছে ঈশ্বরচন্দ্র। চাকু। রিমোটে ঘোড়া আছে, ঘাস খাচ্ছে গরম কেটলির উপচে পড়া ভক্তি।

৩০.০৪.১৪২৭




আত্মহত্যা মূলতো ট্যাবলেট, কেউ কেউ প্যারাসিটামল বলে

যেমন নষ্ট ছেলে,নষ্ট ব্রণ।শাড়ি শুকাতে দিলে রোদ দূর্বলতায় ভোগে। খিস্তি দাও, আর লোকাল জাহাজে চলছে লাল শাকের বাল্যসখা। রাত বারোটার পর কারো হৃদয় বহন করা রাজহাঁস খুনের চাইতে ভারী

৩০.০৪.১৪২৭


কার উঠানে মোমবাতি জ্বলছে? মোমবাতি জ্বালানো একটি অভিযোগ। ঘরদোর ঝাড়ামোছা দাও, হরিণের চোখ খেয়ে আত্মহত্যা করো। বই ভিজে যাচ্ছে। অধিকার শব্দটি মুছে গেলে ঘড়ির দোকান দিয়ে কী লাভ?

০১.০৫.১৪২৭


চরিত্র পাল্টে গেছে কবিতার।কবির চরিত্র না জানিয়ে বাজার করতে গেছে, বসে যাচ্ছে লিপস্টিকে। কবি ট্রেনে উঠে গেলো দপ্তরির বাতাস নিয়ে।

কবি গৃহশিক্ষক হলে বোনের চরিত্র অগ্রহায়ন মাস চায়।

০১.০৫.১৪২৭

ধর্ম পুকুরের সাথে কথা বলতে পারে? যে পুকুরে আমার মা আত্মহত্যা করেছিলো বাঁচার জন্য ।

বেঁচে থাকতে মদ খাও, ভ্রমন করো। মদ খেলে গণতন্ত্রকে দুটো গাল বেশি দেয়া যায়।

আঘাত করো, "মানুষ হতে হবে এই যার পণ" আঘাতে পাথরে আগুন ধরে।

মানুষ শোধরাবেনা?বুকে যতবড় পুকুর তত বড় শেয়ালও ঘুরে।

০১.০৫.১৪২৭

নারীকে আপনি স্বার্থপর বলছেন,
আমি বলছি The Door

নারী মূলতো উপাসনালয়ের পাশে মারিজুয়ানা স্কুল।

০১.০৫.১৪২৭

ছবি ঋণঃ-  Suchitra Bhosle 





















Featured post